Blog

মেয়েদের ব্যাক্তিগত সাদাস্রাব সমস্যার সমাধান বিষয়ক পূর্ণ গাইডলাইন !!

by in unani July 11, 2019

সাদাস্রাব মেয়েদের জরায়ু হতে সাদা, হলদে বা দুধের মত এক প্রকার তরলস্রাব নির্গত হয় যাকে প্রদর বা Leucorrhoea বলা হয়। সাধারণত স্রাব শ্বেত বর্ণের হয়ে থাকে বলে ইহাকে শ্বেতপ্রদর বলা বলে। অনেক মহিলাদের বিয়ের আগে ও পরে এই রোগ হয়। কিন্তু অনেকে লজ্জায় বা অবহেলা করে নিজের নিকট তা লুকিয়ে রাখে। অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্বও দেয়না। তবে ইদানিং মহিলাদের শিক্ষিত হার বেড়ে যাওয়াতে অনেক সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে।

সাদাস্রাব বা প্রদর বা লিকোরিয়া হওয়ার কারণ :- প্রধান কারন হল ইনফেকশন। মহিলাদের জরায়ু “ওপেন অরগ্যান” উন্মুক্ত অংগ গুলোর মধ্যে একটি। যেহেতু জরায়ু উন্মুক্ত থাকে, তাই যে কোন ভাবে এইখানে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। মলদ্বার বা পায়ুদেশ থেকে জীবানু আসিয়া খুব সহজেই জরায়ুতে ইনফেকশন হতে পারে।পুরুষের মাধ্যমেও এই রোগ হতে পারে। ট্রাইকোমানো এবং মোনালিয়া এই দু’টি ইনফেকশন যৌন রোগের জীবানু বহনকারী পুরুষের মাধ্যমে স্ত্রীলোকদের মধ্যে সংক্রমিত হয়। মোনালিয়া জীবানু দ্বারা আক্রান্ত জরায়ুতে চুলকানি হয় এবং ব্যথা করে। ঘন হলুদের মত স্রাব হয়।ট্রাইকোমানো জীবানু দ্বরা আক্রান্ত জরায়ুতে জ্বালাভাব থাকে, চুলকানি হয়, জরায়ু একটু ফুলিয়া যায়, লালচে হয়ে যায়। ফেনাটে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ও জম্ম নিরোধক বড়ি হতেও এই রোগ হতে পারে। যক্ষ্মা, রক্তহীনতা, ভিটামিনের অভাবে এই রোগ হতে পারে।

লক্ষণ সমূহ :- এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর পেটে গোলমাল এবং এসিডিটি থাকে । এছাড়া মাথা ধরা, মাথায় যন্ত্রনা, উদরাময়, কোষ্ঠকাঠিন্য,শরীর খুব রোগা হয়ে যায়,তবে অনেক সময় রোগিনী আবার মোটাও হতে পারে। পীড়া আরম্ভো হবার পূর্বে রোগিনীর কোমরে এবং কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত বেদনা অনুভূত হয়। তলপেট ভারী, প্রস্রাব অল্প পরিমানে হয়, তলপেটে চাপ দিলে বেদনা বোধ হয়, সামান্য জ্বর জ্বর ভাব থাকে। এই অবস্থা প্রকাশিত হবার ৩/৪ দিন পরেই জরায়ু থেকে যোনিদ্বার দিয়ে এক প্রকার স্রাব নিঃসরণ হতে থাকে। স্রাব প্রথমে তরল, স্বচ্ছ ও আঠার মত চটচটে থাকে। কাপড়ে সাদা সাদা দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে ঘন পুঁজের মত হয়।এই রোগ ক্রমশ বৃদ্ধি লাভ করে পুরাতন রূপ ধারণ করে। ইহাতে রোগিনী দীর্ঘদিন পর্যন্ত কস্টভোগ করে। সাথে নানা প্রকার জটিল উপসর্গ প্রকাশ পায়। স্রাব অনেক সময় সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, হলদে সবুজ মিশ্রিত, পনিরের মত, দুধের মত এবং কখনো তরল বা কখন ঘন প্রকৃতির হয়ে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্রাবে যোনিদ্বার হেজে যায়, ঘা হয়, জ্বালা পোড়া করে। ইহা মেয়েদের একপ্রকার বিশ্রী প্রকৃতির রোগ বিশেষ।

চিকিৎসা :- সাদাস্রাব সমস্যাকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের যে সকল মানুষ বিষণ্ণতায় এবং হীনমন্নতায় ভুগছেন, তাদের জন্য “ইউনানী আয়ুর্বেদা লিঃ” নিয়ে এসেছে “আয়ুর্বেদা লিকুনিল প্লাস” নামক এমন এক কার্যকারী ঔষধ, যা সেবনের ৮০-৯০ দিনের মধ্যে আপনি পাবেন আপনার সমস্যা সমাধানের পূর্ণ নিশ্চয়তা । প্রোডাক্টটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং ভেষজ উপাদান এর উপযুক্ত ব্যাবহার এবং মিশ্রণ দ্বারা আন্তর্জাতিক ইউনানী আয়ুরবেদিক ফর্মুলায় তৈরি , তাই “আয়ুর্বেদা লিকুনিল প্লাস” কার্যকারিতার ক্ষেত্রে আপনাকে দিতে পারে শতভাগ সন্তুষ্টি এবং নিশ্চয়তা । পাশাপাশি উক্ত প্রোডাক্টটি শতভাগ ন্যাচারাল উপাদান দ্বারা তৈরিকৃত হওয়ায় এবং সম্পূর্ণ শারীরবৃত্তীয় উপায়ে কার্যকারিতা উপহার দেওয়ার কারনে, এই ঔষধ সেবনে নেই বিন্দু পরিমাণ কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ।এই ”আয়ুর্বেদা লিকুনিল প্লাস”

প্রোডাক্টটির মূল্য – মাত্র ৩১৫০ টাকা ।

সরাসরি সাক্ষাৎ এর ঠিকানা –সুজাপুর, সাভার, ঢাকা । এছাড়া আপনার যে কোন জিজ্ঞাসা কিংবা ক্ষেত্রনুযায়ী ”ইউনানী আয়ুর্বেদা লিঃ” এর প্রোডাক্টগুলোর নাম, গুনাগুন, কার্যকারিতা, নিশ্চয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং প্রোডাক্টের অর্ডার কনফার্ম করতে অথবা স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন পরামর্শের প্রয়োজনে আমাদের আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারমণ্ডলী রয়েছে আপনাদের পাশে ।
হেল্পলাইন – ০১৮৩৮ ২৯৭৭৪৫, ০১৯৯৬৩৬৩৯৩১ ( সকাল ১০ টা – রাত ১০ টা )।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

    Cart